Homeভালবাসার গল্প - Bangla Love Story~~ অনুভুতির গল্প~~

~~ অনুভুতির গল্প~~

About Blogger (Total 5695 Blogs Written) 519 Views

administrator

Love is Life

No thumbnail

~~ অনুভুতির গল্প~~
লিখা < তানিয়া জান্নাত >
বাসায় ঢুকতেই বাবা ডাক দিলেন।
— তিতলী মা এদিকে একটু আসো।
আমি বাবার পাশে গিয়ে বসলাম।
বাবা বললেন…
— তোমার পড়াশোনা খবর কী?
— খবর ভালো বাবা।
— আচ্ছা। ভালো হলেই ভালো।
তোমার সাথে কিছু কথা ছিলো।
— কি কথা বাবা বলেন।
— আমি ঠিক করেছি সামনের মাসেই তোমার
বিয়ে দিবো। তোমার কি কোনো আপত্তি
আছে?
— অবশ্যই আপত্তি আছে বাবা।
— কি আপত্তি?
— আমি এখনই বিয়ে করতে চাচ্ছিনা। অথবা
আমি বিয়ের জন্যে প্রস্তুত নই।
— এগুলো কেমন কথাবার্তা মা?.. ঠিক করে
বলো বিয়ে না করার কারন কি ?
আমি নিচু কন্ঠে বললাম..
–পড়াশুনা শেষ করে বিয়ে করার ইচ্ছে ছিলো
বাবা।
— এটা তেমন কোনো সমস্যা না। পড়াশোনা
বিয়ের পর ও করা যাবে।
আমি চুপ হয়ে বসে আছি। বাবা আমার দিকে
সন্দেহের চোখে তাকিয়ে আছেন। কিছু একটা
বলতে চাচ্ছেন মনে হচ্ছে। শেষমেষ বলেই
ফেললেন।
— তুমি কি কাউকে পছন্দ করো। বা কাউকে
ভালোবাসো?..
— কি যে বলেন বাবা। আমাকে দেখে আপনার
মনে হয় যে আমি কাউকে ভালোবাসি??..
( কথাটা নিজের কাছেই কেমন জানি লাগলো।
সত্যিই কি আমি কাউকে ভালোবাসি না??))
বাবা বললেন…
— না… তা অবশ্য মনে হয়না।
— হুম।
— তাহলে তো আর কোনো সমস্যাই দেখছি না।
আমি বাবার দিকে তাকালাম। বোঝাই যাচ্ছে
এবার তিনি আটঘাট বেধেই নেমেছেন। এবং
সেই আটঘাট খুব শক্তপোক্ত বলেই মনে হচ্ছে।
বিয়ে টা এবার করতেই হবে মনে হচ্ছে।
মা আমার সেই জন্মের সময়ই পরপারে চলে
গেছেন। বাবার কাছেই মানুষ হয়েছি।
ছোটবেলায় সবাই মায়ের কাছে রূপকথার গল্প
শুনে বড় হয়। আর আমি আমার বাবার কাছে
মায়ের গল্প শুনে বড় হয়েছি।
প্রতিদিন রাতে বাবা আমাকে মায়ের গল্প
শুনিয়ে ঘুম পাড়াতে আসতেন। গল্প বলতে বলতে
বাবাই একসময় ঘুমিয়ে পড়তেন। আমি ঘুমাতাম
না। কারন মায়ের গল্প শুনতে আমার সবচেয়ে
বেশি ভালো লাগতো।
আমি ছাড়া বাবার কেউ নেই। আমার বিয়ে
হয়ে গেলে বাবা একদম একা হয়ে যাবেন।
কিন্তু ইদানীং বাবা আমার বিয়ে নিয়ে খুব
টেনশনে আছেন। উনি কেনো জানি আমাকে
বিয়ে দেয়ার জন্যে মোটামুটি রকমের একটা
আন্দোলনে নেমে গেছেন। আমার বিয়ের
চিন্তায় অনেকটা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
এভাবে চলতে থাকলে বাবার জন্যে বিপদটা
বেড়ে যাবে। তাই আমিও বিয়ের জন্যে রাজি
হয়ে গেলাম।
আমি বিয়েতে রাজি শুনে বাবা মহাআনন্দে
মিষ্টির দোকানে ফোন দিয়ে মিষ্টির অর্ডার
দিলেন। আমি ভ্রু কুচকে বাবার দিকে
তাকিয়ে আছি।
উনার একমাত্র মেয়ে কিছুদিন পর বিদায় হবে।
আর সেই খুশিতে বাবা মিষ্টি বিতরনের
আয়োজন করছেন!!!..
আমার এভাবে তাকানো দেখে বাবা বললেন…
— এভাবে তাকানোর কিছু নেই মা। সত্যিই আজ
আমি অনেক খুশি।”
কথা বলতে বলতে বাবার গলা ধরে এলো। উনি
চোখের জল লুকানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু
পারছেন না। নাহ!! বাবা সত্যি আজ অনেক
খুশি!! তাও আমার জন্যে। ভাবতেই অনেক
ভালো লাগছে।
*
সকাল বেলা ড্রয়িংরুমে ঢুকে আমি
মোটামোটি হতভম্ব। বাবার পাশে বসা
ছেলেটিকে দেখেই আমার এই অবাক হওয়া।
ছেলের নাম মোহাম্মদ রিয়াদুল ইসলাম।
এনাকে আমি চিনি। খুব ভালোভাবেই চিনি।
এবং বাবার কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে খুব
সম্ভব রিয়াদ সাহেবের সাথেই আমার বিয়ে
হবে।
প্রায় তিন মাস আগে বাসা চেঞ্জ করে আমরা
এই বাসায় উঠেছি। আগে যে বাসায় থাকতাম
ওই বাসার তিন তলায় রিয়াদ রা থাকতেন।
আমরা থাকতাম দুই তলায়। উনার সাথে পরিচয়
বেশি দিনের নয়। আমরা বাসা চেঞ্জ করার
চার মাস আগে উনি উনার মাকে নিয়ে এই
বাসায় উঠেন। পড়াশোনা শেষ করে একটা
প্রাইভেট কোম্পানিতে নতুন জয়েন করেছেন।
মানুষ হিসেবে কতটুকু ভালো তা ঠিক বলতে
পারবনা। তবে উনি উনার মাকে অসম্ভব রকমের
ভালোবাসতেন। যা আমার উনার ব্যাপারে
সবচেয়ে বেশি লাগত। আমি উনার সাথে খুব
একটা কথা বলতাম না। কারন উনি আমাকে
দেখলেই আমার সাথে ইয়ার্কি তামাশা শুরু
করে দেন। আমি হলাম সিরিয়াস টাইপের
মেয়ে। তাই এসব ভালো লাগতো না। একদিন
বিকেলে ছাদে বসে কমলা খাচ্ছিলাম। এটা
আমার অত্যন্ত প্রিয় একটা ফল। হঠাৎ করেই
রিয়াদ সাহেবের আগমন।
— এই কমলা রানী…. কি কর?
— দেখতেই পাচ্ছেন কি করি। আর আমার বাবা
মা আকিকা করে আমার নাম রেখেছেন
তিতলী। কমলা রানী নয়।
— এ মা!! দেখেছ আমাদের মধ্যে কত মিল।
— কিসের মিল??
— জানো… আমার মা বাবাও আকিকা করে
আমার নাম রেখেছেন। অদ্ভুত তাই না?? ।”
আমি বিরক্তিকর মুখ নিয়ে উনার দিকে
তাকালাম। দেখি উনি হো..হো করে হাসছেন।
উনার হাসিটা অদ্ভুত রকমের সুন্দর লাগছিলো।
কারন সেই হাসির সাথে উনার চোখটা
হাসছিলো। মানুষের চোখও হাসে শুনেছিলাম।
কিন্তু কখনো দেখিনি। আমি উনার সেই হাসি
দেখে নিজেও হেসে দিলাম।
উনি সবসময় আমার পিছনে লেগে থাকতেন।
আমাকে রাগানোর যত রকমের চেষ্টা আছে
কোনোটাই উনি বাদ রাখতেন না। আর আমিও
বোকার মতো ঝট করে রেগে যেতাম।
একদিন রিয়াদ সাহেব এসে বললেন
— এই তিতলী আমার সাথে একটু বেরোতে
পারবে?.. একটু দরকার ছিলো।
আমার অবাক লাগলো খুব। জিজ্ঞেস করলাম…
— বাইরে?? আপনার সাথে??
উনি আমতা আমতা করে বললেন…
— হ্যা…মানে আজকে প্রথম বেতন পেয়েছি
তো। তাই মায়ের জন্যে কয়েকটা জিনিষ
কিনতে চাই। কিন্তু বোঝতে পারছিনা কি
কিনব। এর আগে কিনি নি তো কোনোদিন।
সুযোগ ই হয়নি কখনো মায়ের জন্যে কিছু
করার।”—–
আমার উনার জন্যে মায়া হলো খুব। সাথেই তো
যেতে বলছেন শুধু। অসম্ভব কথাবার্তা কিছু
বলছেন না।
যাই হোক… আমি উনার সাথে শপিং এ
গেলাম। কয়েকটা শাড়ী আর কিছু জিনিষ পত্র
পছন্দ করে দিলাম। এর মধ্যে কিছু জিনিষ
রেপিং পেপারে মুড়ে রেখে দিলেন। আমি
জিজ্ঞেস করলাম এগুলো কার জন্যে??…. উনি
হেসে হেসে উত্তর দিলেন।
— সামনের মাসে মায়ের জন্মদিন। এগুলো
ওইদিন ই দিবো মাকে। তোমাকে তো আর
রোজ রোজ পাবোনা শপিং এর জন্যে। তাই
আজকেই সব কাজ শেষ সেরে নিলাম।
আমি আবারো উনার কথা শুনে অবাক হলাম।
আজকাল আমি একটু বেশিই অবাক হচ্ছি। তবে
এখন অবাক হওয়ার পেছনে যথেষ্ট কারন আছে।
উনি আমাকে এতটা ইম্পরট্যান্স দিবেন তা
কখনো ভাবিনি।
এরপর থেকে রিয়াদের কথায় আমি বেশি
বিরক্ত হতাম না। উনার হাসি তামাশা গুলোও
ভালো লাগতো। আমিও তখন হাসতে শিখে
গেছি। বেশ বোঝতে পারছিলাম যে আমি
ছেলেটার মায়ায় পড়ে যাচ্ছি।
একদিন আমার কাজিন রাহাত আমাকে কলেজ
থেকে বাসায় ড্রপ করে দিচ্ছিলো। রাহাত
ভাই আমার সাথে একই কলেজে পড়েন। হঠাৎ
দেখি রিয়াদ সাহেব আমাদের দিকে কপাল
কুচকে তাকিয়ে আছেন। রাহাত ভাই যাওয়ার
পর উনি এক ঝটকায় আমার হাত ধরে টান
দিলেন। তারপর জিজ্ঞেস করলেন..
— ছেলেটা কে ছিলো??
প্রিয়২৪.কম
উনাকে কেমন অশান্ত দেখাচ্ছিলো। চোখে
প্রচণ্ড অভিমান দেখতে পাচ্ছিলাম। আমি
বললাম..
— উনি আমার কাজিন। রাহাত ভাই।
— ওহ…
— কেনো বলুন তো??
— নাহ। এমনি… কিছুনা।
বলে উনি চলে গেলেন। আমার কেনো জানি
মনে হলো উনি আমাকে ভালবাসেন। কেনো
এমন মনে হলো বোঝতে পারছিনা।
*
একবার এক সাপ্তাহের জন্যে মামা বাড়ি
গিয়েছিলাম
বেড়াতে। বাসায় এসে শুনি রিয়াদের মা
মারা
গেছেন চার দিন হলো। কথাটা শুনে আমি
কিছুক্ষনের জন্যে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। তারপর
একদৌড়ে রিয়াদের বাসায় গেলাম। কিন্তু
উনাকে
কোথাও দেখতে পাচ্ছিলাম না।
অবশেষে
উনাকে ছাদে গিয়ে আবিষ্কার করলাম।চোখ
মুখ একদম শুকিয়ে গেছে।
অসহায় ভঙ্গি তে দাঁড়িয়ে আছেন। আশ্চর্যের
ব্যাপার হচ্ছে শুনেছি উনি এখন ও কাদেন নি।
বোঝাই
যাচ্ছে বেশ বড় রকমের একটা ধাক্কা
খেয়েছেন।
অনেক্ষন চুপ থাকার পর বললেন…
আমি আমার মাকে হারিয়ে ফেলেছি তিতলী।
পৃথিবীর কোথায় গেলে আমি মাকে খুজে পাব
বলতো???—
আমি কি বলব বোঝতে পারছিলাম না। নিজেই
মাকে
হারিয়ে বসে আছি কবে থেকে।
আমি উনার একটা হাত নিজের হাতে রেখে
বললাম…”
এভাবে ভেঙে পড়লে চলবে?. আপনাকে এখন
শক্ত হতে হবে। আপানার মায়ের জন্যে হলেও
আপনাকে শক্ত হতে হবে।
আর কে বলেছে আপনি মাকে হারিয়ে
ফেলেছেন?. হয়তো একদিন আপনার জীবনে
কেউ একজন আসবে। আপনার ছোট্ট একটা
সংসার প্রিয়২৪.কম
হবে। ছোট্ট একটা ঘর হবে। হঠাৎ সেই ঘর
আলো করে একদিন ফুটফুটে একটা মেয়ে
আসবে। সেই মেয়েটার মাঝেই না হয় আপনি
আপনার মাকে খুজে নিবেন। দেখবেন ঠিক
আপানার
মাকে পেয়ে গেছেন। সেই মেয়ের মাঝেই
মা আবার ফিরে আসবেন। এখন আপনার
নিজেকে
সামলানোর সময়। আপনার মা সারাজীবন কষ্ট
করেছেন যাতে আপনার ভবিষ্যৎ জীবন টা
সুন্দর
হয়। তাই আপনাকে শক্ত হতে হবে আপনার
মায়ের
জন্যে।—”
সেদিন আমার কথা উনি কি বোঝলেন
জানিনা। তবে
উনার চোখের কোনে জল দেখতে পাচ্ছিলাম।
এর কিছুদিন পর আমাদের বাসা চেঞ্জ করি।
আমার
মোটেও যাওয়ার ইচ্ছে ছিলো না। বাসা
পাল্টানোর
দিন আমার চোখ বার বার রিয়াদ কে
খুজছিলো। কিন্ত
রিয়াদ সাহেবের কোনো পাত্তাই নেই।
গাড়ীতে
ওঠার আগে আরেকবার বাইরে তাকালাম।
দেখি উনি
ছাদের এক কোনায় দাঁড়িয়ে আছেন আর আমার
দিকে তাকিয়ে দাত বের করে হাসছেন। কি
আশ্চর্য!!! আমি চলে যাচ্ছি আর উনি এভাবে
হাসছেন!!!.. উনার একটুও কষ্ট হচ্ছেনা??… ধুর
ছাই!!
আমিই উনাকে নিয়ে একটু বেশি ভাবছি।…
এরপর আর কোনো যোগাযোগ ছিলো না।
অনেক মিস করেছি । ভুলার চেষ্টা ও করেছি।
চেষ্টা টা এখন ও জারি আছে।
আজ বাবার পাশে রিয়াদ কে দেখে নিজের
চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।
হঠাৎ উনার সেই দাত বের করা হাসির কথা
মনে পড়ে গেলো। কিছু না বলেই চলে
যাচ্ছিলাম। এই সময় বাবা ডাক দিলেন।
— তিতলী মা একটু আসো তো। রিয়াদের সাথে
কথা বলো। আমি আসছি।
বলে বাবা চলে গেলেন।
আমি চুপচাপ বসে আছি। রিয়াদ আমার দিকে
তাকিয়ে মিটি মিটি হাসছে। হঠাৎ বলে
উঠলো…
— এই মেয়ে… বলো নি কেনো??
আমি বোঝতে পারলাম না। বললাম..
— কি বলবো..?
— এই যে আমাকে কতটা ভালোবাসো..
আমি ঘাবড়ে গেলাম।
এই ব্যাটা দেখি মহাচালাক। কি করে বোঝে
ফেলল.. আমি কেমন তোতলা হয়ে গেলাম।
বললাম..
— কে.. কে..ক্কে বলল আপনাকে আমি
ভালবাসি??
উনি হেসে ফেললেন।
আমি বললাম..” হাসছেন কেনো??
উনি বললেন..
— ঠিকমত মিথ্যেও বলতে পারোনা তুমি।
আমি চুপ হয়ে গেলাম। উনি আমার পাশে এসে
বসলেন। তারপর আলতো করে দুই হাত দিয়ে
আমার গাল ধরে বললেন… ” ঠিক আছে আমি ই
বলছি।
অনেক ভালোবাসি তোমায়। সেদিন রাহাতের
সাথে তোমাকে দেখার কেমন কেমন
লাগছিলো। নিজেই বোঝতে পারছিলাম না
কি হলো আমার। তারপর যখন মায়ের মৃত্যুর পর
তুমি আমাকে বোঝাচ্ছিলে… তখন ই বোঝেছি
একমাত্র তুমিই আমাকে বোঝতে পারবে।
আমাকে সামলাতে পারবে। আমার জীবনে
তোমার অনেক প্রয়োজন। সারাটাজীবন
তোমাকেই ভালোবাসতে চাই। তোমাকে
নিয়ে বাচতে চাই। পারবেনা আমাকে একটু
ভালোবাসতে??..
আমি হাসব না কাদব বোঝতে পারছিনা। কিছু
না বলেই রিয়াদকে জড়িয়ে ধরলাম।
— সেদিন ওভাবে হাসছিলেন কেনো?? আমার
কেমন লেগেছিলো বলেন তো??
— হে হে হে।। আমি ইচ্ছে করেই হেসেছিলাম।
জানতাম তুমি রেগে যাবে। আর তুমি তো
জানোই তোমাকে রাগাতে আমার কত্ত ভালো
লাগে।””
আমি বললাম..
— আচ্ছা বাবা কিভাবে রাজি হলেন?
— আসলে আমার এক মামা আর তোমার বাবা
আগের পরিচিত ছিলেন। অনেক ভালো বন্ধু ও
বলতে পারো।
তাই তেমন একটা অসুবিধা হয়নি।
*
*
অতঃপর আমার আর রিয়াদের বিয়েটা হয়েই
গেলো। বিয়ের দুই বছর পর আমাদের ফুটফুটে
একটা মেয়ে হল।
জন্মের পর রিয়াদ মেয়েকে বুকে নিয়ে সেই
কবে থেকে বসে আছে। একবার হাসছে.. তো
একবার কাদছে। রিয়াদ আজ খুব খুশি। এত খুশি
হতে কখনো দেখিনি। আমার পাশে এসে বসে
বলল — দেখো… একদম আমার মায়ের মতো
হয়েছে তাইনা??
আমি আমার মেয়েকে এই প্রথম দেখলাম।
দেখি মেয়েতো ওর বাবার মতো হয়েছে পুরো।
কিন্তু আমিও ওর কথায় সায় দিয়ে বললাম…হুম।
একদম। মায়ের মতোই।
আমি রিয়াদ আর আমার মেয়েকে দেখছি। কি
সুন্দর একটা ক্ষন। কি অসাধারণ অনুভুতি। বেচে
থাক এমন হাজার অনুভুতি………7

1,356 total views, 1 views today

2 years ago (December 27, 2016) FavoriteLoadingAdd to favorites

Leave a Reply

You must be Logged in to post comment.

Related Posts


Priyo24 Home